লুডু খেলে ইনকাম করুন

লুডু খেলে প্রতিদিন টাকা ইনকাম করুন!

আপনার সময় নষ্ট না করে লুডু খেলে প্রতিদিন ৫০০+ টাকা ইনকাম করুন।
অ্যাপে জয়েন করে প্রতিদিনের মিশন কমপ্লিট করুন, বন্ধুদের সাথে খেলুন আর ইনকাম করুন!

🎮 এখনই খেলতে শুরু করুন
🔒 নিরাপদ পেমেন্ট | 📱 মোবাইল দিয়ে খেলা | 💸 ইনকাম বিকাশে

Sunday, 30 January 2022

সময়

সময় আসলেই পরিবর্তনশীল। 

সময়ের সাথে সাথে মানুষের অবস্থার পরিবর্তন হয়, সেই সাথে চারপাশের মানুষেরও পরিবর্তন হয়। একবছর আগে যে মানুষটা আপনাকে সর্বোচ্চ প্রায়োরিটি দিতো এখন সেটা দিচ্ছে কিনা ভেবে দেখুন। দিচ্ছে না?? কেনো দিবে? এখন সে তাদেরকেই গুরুত্ব দিচ্ছে এসময় যাদেরকে তার বেশি প্রয়োজন। হয়তো তখন আপনার প্রয়োজন ছিলো তার কাছে তাই-ই দিয়েছে। এক্সেপ্টেশন বাদ দিন। প্রকৃতি তার নিয়ম রক্ষা করেই চলে। ইতাহাস সর্বদা পুনরাবৃত্তি করে। আবারও একটা সময় আসবে সে তখন আপনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করবে, সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

কেউই আপনাকে প্রয়োজনের বেশি গুরুত্ব দিবে না। যখন আপনাকে দরকার হবে তখন আপনাকে খুঁজবে, আপনি ইগনোর করলেও চাতক হয়ে অপেক্ষা করবে। 

মার্ডারার অফ লাভার!!

সেদিন ছিলো চৈত্রের দুপুর, তার বিয়ের ৪৩ দিন হয়ে গেলো। আমাকে বলছিলো আজকে দেখা করতে  পারবে? গ্রামের শেষ মাথায় পুরোনো ভাঙাচোরা জমিদার বাড়ি ছিলো ওখানেই আমাদের অনেক স্মৃতি আটকে আছে। আমি তাকে বললাম, চলে এসো আমাদের পুরোনো রাজপ্রাসাদে। 

আমি সব প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি। সে আসলো আমার পছন্দের কালো শাড়িটা পরেই। টিপ পরা তার খুবই পছন্দের অভ্যাস অথচ আজ কপালের মাঝ বরাবর কোনো টিপ নেই, কারন আমার টিপ একদমই পছন্দ না।

অন্য কারো হয়ে যাবার পরেও আমার পছন্দের গুরুত্ব দিলো এটা দেখেই আমার ভিতরের পশুটা মরে যাচ্ছে। কিন্তু আমার পশুত্বটাকে আমি বাঁচিয়ে রাখছি, আমার প্রেয়সীকে আমার করতেই হবে। 

এসেই হাসিমুখে জড়িয়ে ধরে এক গভীর চুম্বন, তার শরীরজুড়ে সেই হাজার বছরের পরিচিত গন্ধ সেই চেনা মাদকতা আমাকে এক মুহূর্তে পশু থেকে শিশুর মতো করে ফেলতে চাচ্ছে। 

আমি হয়তো ভেবেছি আর একটু হলেই আমার পুষে রাখা রাগ আর আমার মধ্যে বাঁচিয়ে রাখা পশু সবই হারিয়ে ফেলবে। তাই দ্বিতীয়বার না ভেবেই তার ঘাড়ে চুরির আঘাত বসিয়ে দিলাম, যে ঘাড়ের প্রতিটা রোমকূপে আমরা ঠোঁটের স্পর্শ মিশে আছে। 

উষ্ণ রক্ত প্রবাহের মধ্য দিয়ে প্রেমিকার প্রস্থান হলো, এই প্রথমবার তাকে এতটা নীরব দেখলাম। তার সব চাঞ্চল্যতা নিমিষেই প্রবাহিত রক্তের সাথে মাটির সাথে মিশে গেলো। 

নুহীন কে??


"নুহিন কে?"

অরিত্রীকে আমি এই প্রশ্নটা করতে গিয়ে অসংখ্যবার চুপ হয়ে গিয়েছিলাম। কারন, সে মুহূর্তের মধ্যেই চট করে একটা মিথ্যা বানিয়ে বলে ফেলবে আর আমাকে সন্দেহবাজ বলে ব্লেইম করবে। এরকমটা প্রায়ই হতো  

একদিন সন্ধ্যায় অনিক স্যারের কোচিং এ (ওই ব্যাচ এ আমি সে আর একজন ছিলো শুধু) আমাকে লুকিয়ে সে নুহিনকে টেক্সট করছিলো "আমি সাড়ে দশটার দিকে বের হবো, তুমি স্টেশনে থেকো" 

আমি দেখেও কিছু না দেখার ভান করে স্বাভাবিক আচরণ করে গেলাম। কোচিং শেষে ফেরার পথে সে আমাকে জানালো হয়তো আগামীকাল কোচিং এ আসতে পারবে না; তার আম্মুর সাথে ফুফুর বাড়িতে যাবে, তার ফুফু ভীষন অসুস্থ। আমি বললাম আচ্ছা। 

বাসায় এসে মাথাভর্তি জেদ নিয়ে ফেসবুকে নুহিন'কে খোঁজা শুরু করলাম। নুহিন'কে পেলাম না (আমি নুহিন এর প্রোফাইল পিকচার চিনতাম)। আরেকটা আইডি খুলে খোঁজা শুরু করলাম, পেয়ে গেলাম। বুঝতে পারলাম নুহিনের আইডি থেকে আমাকে ব্লক দেয়া। 

যাইহোক, নুহিনের অনেকগুলো পোষ্টে ওর কমেন্ট দেখতে পেলাম। একটা ছোট্ট ভিরমি খেলাম। আস্তে আস্তে রাগ বাড়তেছে, এরমধ্যে ১৭ টা সিগারেট শেষ। 

দুদিন পর....
অরিত্রী ফোন দিয়ে বললো, "কোচিং এ যাওয়ার সময় অপেক্ষা করিও" আমি, "আচ্ছা"
একসাথে কোচিং এ গেলাম , জানতে পারলাম ওর ফুফু'র অবস্থা খুব একটা ভালো না ডাক্তার দেখানোর জন্য ওদের বাড়িতে নিয়ে আসবে, আপাতত ফুফুর দেখাশোনা করার জন্য ব্যস্ত থাকবে তেমন মেসেজ/ফোন দিতে পারবেনা। 
আমি বললাম, "আরে, এতো প্যারা নেয়ার কিছু নেই আমাদের কথা বলার জন্য সারাজীবন পড়ে আছে। ভাগ্য ভালো না হলে, কারো সেবা করার সুযোগ খুব একটা পাওয়া যায়না। তোমার ফুফুর সেবা করার সুযোগ পেয়েছো মানে তুমি ভাগ্যবতী, আর তোমাকে পেয়ে আমিও ভাগ্যবান"

যথারীতি আমাদের সবকিছুই আগের মতো চলছিলো। শুধু বাড়িতে গেলে তেমন কথা হতো না। আমি জানা সত্যকেও মিথ্যা বলে নিজের মাথা থেকে নুহিনের ভুতটাকে তাড়াতে চাচ্ছি। এদিকে তার ফুফু ও সুস্থ হচ্ছে না (ওই মিথ্যে ফুফু টা মারা গেলেও হয়তো আমাদের সবকিছু ঠিক হয়ে যেতো)। 

এরপর ঘটনার মোড় একটু একটু করে ঘুরতে লাগলো...
একদিন আমাকে বললো, তার আব্বু-আম্মু তাকে পড়াশোনার জন্য চট্টগ্রাম আপুর বাসায় পাঠিয়ে দিবে। এলাকায় থাকলে পড়াশোনা হবেনা, ছেলেরা বিরক্ত করে, প্রতিবেশীরা বিয়ে দিয়ে দিতে বলে ইত্যাদি। 

এবার আর আমি আমার ধৈর্য্যের বাঁধ ধরে রাখতে পারলাম না। অরিত্রীর সাথে তোলা একটা ছবি নতুন আইডির প্রোফাইলে দিয়ে নুহিনকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিলাম। সাথে সাথেই এক্সেপ্ট করে মেসেজ দিলো, 
- ভাইয়া, কেমন আছেন?
- আপনি আমাকে চিনেন?
- হ্যাঁ, চিনবো না কেনো? আপনি অরিত্রীর কাজিন, অরিত্রীকে পছন্দ করেন। আর অরিত্রীর ফ্রেন্ডলিস্টের ছেলেদেরকে মেসেজ দিয়ে বলেন আপনি নাকি ওর বয়ফ্রেন্ড। অরিত্রীর ফ্যামিলিও অপনাজে তেমন পছন্দ করেনা। তাই অরিত্রী বলছিলো আপনাকে ব্লক করে রাখতে। 

সেই মুহুর্তে আমার মনে হচ্ছিলো কোনো এক অদৃশ্য শক্তির চতুর্মুখী চাপে আমি একটা ধূলিকনায় পরিণত হচ্ছি। নিজেকে সামলে নিয়ে বললাম, "ভাইয়া আসলে মানুষের লাইফে পরিবর্তন আসে, আমিও আর আগের মতো নেই। দিন পাঁচেক হলো আমি একটা রিলেশনে গেলাম, যেহেতু অরিত্রীর ফ্যামিলি আমাকে চাচ্ছে না শুধু শুধু তার পিছনে সময় নষ্ট করে লাভ নেই। আমিও চাই আমার বোনটা(কাজিন) ভালো থাকুক। 

অনেক কথাবার্তার পরে নুহিন আমাকে জানালো, "তারা কিছুদিনের মধ্যেই বিয়ে করবে"।। আসলে মানুষ আমাকে খুব সহজেই বিশ্বাস করে অনেক কথা বলে ফেলে, নুহিন-ও তাই করলো। এরপর কথায় কথায় নুহিন এর থেকে অরিত্রীর সাথে তোলা ছবি নিলাম। ওদের জন্য দোয়া করে শেষে বললাম, "ভাইয়া, অরিত্রীকে বলবেন না আমাদের যে কথা হয়েছে" 

পরেরদিন শুক্রবার ছিলো, কোচিং বন্ধ। ওই শুক্রবার টা যেতেই চাচ্ছিলো না। দিন গিয়ে রাত শেষ হয়ে আবার শনিবার বিকেল হওয়ার সময়টা আমার কাছে এক মহাকাল মনে হচ্ছিল। এরমধ্যে অরিত্রীর সাথে টুকটাক কথা হলো। আমরা কোচিং এ গেলাম, আমার মুড অফ। অরিত্রী বারবার বিভিন্ন কথা বলে আমাকে হাসাতে চাইলো, মেয়েটা সবসময়ই এই খেলায় জিতে যায়। কিন্তু আজ পারেনি, আজ আমার মাথায় আটকে থাকা ছোট্ট প্রশ্নটা পাহাড় সমান আকার ধারন করলো। 

কোচিং শেষে অরিত্রী হয়তো কিছুটা আন্দাজ করতে পারছিলো, আমাকে চেপে ধরলো কি হয়েছে বলার জন্য। আমি তবুও বলার সাহস পেলাম না, যদি সত্যি সত্যিই নুহিনের সাথে অরিত্রীর কোনো সম্পর্ক না থাকে!! শেষমেশ সাহস নিয়ে জেদের বশে বলে ফেললাম, 
- নুহিন কে?
সাথে সাথে অরিত্রী হেঁসে বললো, "আরে এই কথা জানার জন্য এতো সময় নিছো তুমি? আমাকে আগে বললেই তো হতো। শুনো, নুহিন আমার কাজিন, আমাকে পছন্দ করে। কিন্তু আমার ফ্যামিলি ওকে পছন্দ করেনা, আর সে আমার ফ্রেন্ডলিস্টের ছেলেদেরকে মেসেজ দিয়ে বলে সে নাকি আমার বয়ফ্রেন্ড। তোমার সাথেও কি এমনটা করেছিলো?"

আমি কোনো উত্তর না দিয়ে সব প্রমান অরিত্রীর সামনে তুলে ধরলাম। ঠিক তখনই অরিত্রী অগ্নিরূপ ধারণ করে আমাকে বললো, "এই আমার প্রতি তোমার বিশ্বাসের রূপ? আমার ব্যাপারে গোয়েন্দাগিরি করতে লজ্জা লাগলো না তোমার? তুমি থাকো তোমার গোয়েন্দাগিরি নিয়ে আমি চললাম"

কথাটা বলেই অরিত্রী বইখাতা ব্যাগে ঢুকিয়ে হাঁটা ধরলো। কিন্তু কলমটা নিতে ভুলে গেছে। আচ্ছা অরিত্রী কি সবসময়ই রেগে গেলে কলম নিতে ভুলে যায়? নাকি কলমটা আমার জন্য রেখে যাওয়া তার শেষ স্মৃতি ছিলো, কে জানে।

হটাৎ ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় আমি কোনো উত্তর খুজে পেলাম না, অথচ মাথাভর্তি হয়ে গেলো হাজারটা প্রশ্নে!! আসলেই কি এই গোপন সত্যটা জেনে ভুল করে ফেললাম? নাহলে তো আরো কিছুদিন অরিত্রীকে কাছে পেতাম। অরিত্রীর ছোট্ট আঙ্গুলগুলো ধরে সন্ধ্যার পর রোড ক্রসিং করে রাস্তার দক্ষিণপাশ দিয়ে আবছা অন্ধকারে হাঁটতে পারতাম। অরিত্রী রাস্তা পার হতে ভয় পেতো, আচ্ছা নুহিন কি ঠিকমতো রাস্তা পার করাতে পারে? অরিত্রী কি নুহিনের হাতকে আমার হাতের মতোই ভরসা করে? নুহিনের হাত ধরলে কি অরিত্রী মনে মনে আমার হাত টাই ধরে? হয়তো অরিত্রী আমাকে খুব বেশি ভালোবাসে তাই আমার উপর খুব বেশি রাগ ঝাড়লো।

যাই হোক, অরিত্রী আমার খুব যত্নের বস্তু এভাবে হারাবে না। দুয়েকদিন পর হয়তো ঠিক হয়ে যাবে। আমার ও উচিৎ হয়নি এভাবে অরিত্রীকে এভাবে ব্লেইম করা, থাকুক না ওর রিলেশন দিনশেষে ও তো আমারই। অরিত্রী কখনোই নুহিনকে বিয়ে করতে পারেনা, নুহিন আসলেই ওর কাজিন। আচ্ছা আমি অরিত্রীকে বিশ্বাস না করে কিভাবে নুহিনকে বিশ্বাস করলাম? আমি আসলেই খুব খারাপ। এসব ভাবতে ভাবতে কখন যে রাস্তায় চলে এলাম খেয়াল করিনি। একটা মালবাহী অল্পের জন্য আমাকে পিষে যায়নি, ট্রাক চালকের উপর রাগ উঠলো প্রচুর। এতো ভালো ড্রাইভিং জানলে তুই ট্রাক চালাবি কেনো? বিমান চালানোর ট্রাই কর। রাস্তাঘাটে টুকটাক এক্সিডেন্ট করতে না পারলে এটা কেমন ড্রাইভার। 

ছাইপাশ ভাবতে ভাবতে চলে গেলাম পদ্মার পাড়ে, শুনেছি পদ্মা নাকি সর্বনাশা নদী। আমার কিছুই নেই তাই আমার সর্বনাশের ভয় ও নেই। পদ্মার পানিতে চাঁদের প্রতিবিম্ব আর এর মৃদু বাতাসের মাঝে বসে ভাবছি চাঁদের আলো যদি অরিত্রীর মুখে পড়ে আর বাতাসে তার চুল নড়তে থাকলে কতোটা মায়াবী লাগবে!! এমনিতেও তাকে প্রচন্ড রকমের মায়াবী লাগে। বিধাতা সব মায়া যেনো মুঠো ভরে তার উপর ঢেলে দিয়েছেন। এসবের মাঝে কখন যে এক গভীর ঘোরে হারিয়ে গেলাম বুঝতে পারিনি। সকালে ঘুম ভাঙলো নদীটাকে আর রাতের মতো সুন্দর লাগেনি। 

আমি সোজা চলে গেলাম, অরিত্রীদের বাড়িতে। ভাবলাম আমার এই ক্লান্ত চেহারা দেখেও হয়তো অরিত্রীর মায়া লেগে যাবে, অরিত্রী আমার সবকিছু ক্ষমা করে দিবে। আমার তখনও মনে হচ্ছিলো না সব দোষ তারই ছিলো। আমার বারবার মনে হচ্ছে তার গোপন সত্যটা জেনেই ভুল করলাম। যাইহোক, তাদের বাড়িতে গিয়ে জানতে পারলাম অরিত্রী নাকি কাল রাতে নুহিন নামের এক ছেলের সাথে চলে গেছে..... সেই মুহূর্তে আমার মনে হচ্ছিলো সবাই মিথ্যাবাদী নয়তো আমি উল্টাপাল্টা ভাবতে গিয়ে পাগল হয়ে গেছি। এক মুহূর্তের জন্যও মনে হয়নি অরিত্রী আমাকে ছেড়ে অন্য কারো হাত ধরতে পারে....

[রিভার্স ইউনিভার্স]

পুরো ইউনিভার্সটা চলতেছে রিভার্স ইউনিভার্স হয়ে।

আপনি যেটা পছন্দ করবেন সেটা কখনোই হবেনা আপনার সাথে, না হলেও আপনার অভিযোগ নেই মানলাম। কিন্তু এর ঠিক উল্টোটা হবে আপনার সাথে, এবার দেখবো আপনি অভিযোগ কিভাবে দমিয়ে রাখেন।

কেউ একজন আপনার পছন্দকে দাম দিচ্ছেনা, আপনিও জোর করছেন না। কিন্তু আপনার ভিতরের সত্বা কি সেটা মানতে পারবে? পারলেও ক'দিন পারবে? আস্তে আস্তে একদিন নিজের অজান্তেই আপনিও তার পছন্দ-অপছন্দকে গুরুত্ব দিতে চাইবেন না।

আপনি চাচ্ছেন কেউ একজন অন্তত আপনার মনমতো চলুক, আপনিও তার মনমতো চলতে চান। কিন্তু দেখবেন সেই 'একজন' ব্যতীত বাকি সবাই আপনার মনমতো চলতেছে। এবার আপনি কি করবেন? তার কথা শুনবেন নাকি অন্য সবার দলে গিয়ে তার সাথেই দূরত্ব সৃষ্টি করবেন?

এটাই শেষ না, আমি বলতে গেলে রাতটাকে ছাব্বিশ ঘন্টা তেতাল্লিশ মিনিট উনপঞ্চাশ সেকেন্ড বানাতে হবে কিন্তু সৃষ্টিকর্তাও তো এটা করবে না।

#mahfooz750 

টক্সিক আমি!!

হয়তো কয়েকশত বছর পার হয়ে যাবে, তোমার আমার দেখা হয়ে যাবে অচেনা এক রাস্তায় যেখানে তুমি গিয়েছিলে আমার মতো টক্সিক কারো থেকে দূরে থাকতে, আর আমি? হ্যাঁ আমি গিয়েছিলাম তোমাকে খুঁজতে। আসলে সবকিছুর বাইরেও আমি তোমাকে চাই। চাই মানে চাই-ই চাই, আমার তোমাকেই লাগবে।

জানো (অ)প্রিয়, মাঝে মধ্যে কেমন জানি জীবনের প্রতি এক অসহ্য যন্ত্রনা চলে আসে, আমার সব আছে আমি সব পেয়েছি। কিন্তু আমার তুমি নেই আমি তোমাকে পেলে সব যন্ত্রনা দূর করে ফেলতে পারতাম। তোমাকে পেয়ে গেলে দিনরাত না খেয়ে না ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারতাম। অবশ্য এখনো পারি। তবে দুইটা ভিন্ন পরিস্থিতি হতো।

আচ্ছা এখন যে তোমাকে পেয়েছে সে কি খাওয়া-দাওয়া করে? সে কি ঘুমায়? সে কি আমার মতো পাগলামি করে তোমার জীবন অতিষ্ঠ করতে পারে? নিশ্চই কিছুই পারেনা। আমি বলেছিলাম আমি ভীষণ রকমের সাইকো আমার সাথে বেশিদিন থাকতে পারবে না, তুমি তখন আমার এসবে খুঁজে পেতে বিরাট আনন্দ। যদিও এখনো আমার এসব ভেবে তোমার হাসি আসে। আচ্ছা হাসিটা কি ভালোলাগা থেকেই আসে?

এই শুনো, আমি যে এখনো অচেনা নম্বর থেকে ফোন দিয়ে চুপ করে থেকে তোমার ভয়েস শুনে কিছু যন্ত্রণা পুষিয়ে ফেলি এটা তুমি বুঝতে পারো? আচ্ছা তুমি কি এজন্য আমার উপর বিরক্ত হও? আচ্ছা তুমি না একবার বলেছিলে আমাকে স্বর্গ দেখাতে নিয়ে যাবে? আমার আর স্বর্গ দেখা হলো না, তুমি চলে যাবার পর তো আর কেউই আসেনি যার কাছে স্বর্গ দেখার আবদার করতে পারবো।

আসলে তোমার মতো করে কেউই আমাকে বোঝেনি। আমার আমিও না ভীষণ রকমের স্বার্থপর হয়ে গেছি, অনেকেই আসতে চেয়েছিলো এই টক্সিক জীবনে কিন্তু তাদের মধ্যে তোমাকে পাইনি বলে আসতে দেইনি। আমার হয়েছে কি জানো? আমি ভালোবাসার কথা বলে তোমাকেই সব যন্ত্রনা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তুমি নিতে পারোনি বলে আমি সেসব যন্ত্রণা নিজের মাথায় নিয়ে ঘুরি। আমি মনে করি আবার তোমাকে ফিরে পাবো, আবার তোমাকে প্রচুর যন্ত্রনা দিবো। আবার কয়েকশত বছর পার হয়ে গেলে তোমার জীবনটাকে অতিষ্ঠ করে ফেলবো।।

#mahfooz750

চারুর স্মৃতিপট এর কিছুকথা

- যেদিন আকাশে অনেক তারা ছিল সেদিন তুমি আমাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে মধ্যরাতে ছাদে নিয়ে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলে। তুমি গোধূলি ভালোবাসতে, কৃষি কলেজের ঘাঁষগ...